• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Santanu Banerjee

রাজ্য

শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তল ও শান্তনুর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা তৃণমূলের

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতিতে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল অনেক আগেই বহিস্কার করেছে। তবে তিনি এখনও দলে বিধায়ক রয়েছেন। গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য এখনও বিধায়ক রয়েছেন। এবার শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফাতার দুই যুব নেতা কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেস বহিষ্কার করল। যদিও গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রয়েছেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রায় ২ মাস হতে চলল গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য যুবনেতা কুন্তল ঘোষকে। কুন্তলকে গ্রেফতার করার পর নতুন নতুন নাম করেছে ইডির কাছে। তাঁদের তলব করছে ইডি। চার দিন আগে তৃণমূল যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে ইডি। এদিন তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয় কুন্তল ও শান্তনুকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন কুন্তল। কিন্তু শান্তনু দলের সেভাবে কোনও পদে ছিলেন না বলেই জানা গিয়েছে। রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও শশী পাঁজা সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন। এদিন শশী পাঁজা বলেন, সঞ্জীব সুকুল নামে যে ব্যক্তির চাকরি খুইয়েছেন তিনি শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। বিজেপি ও সিপিএম নেতাদের পরিবারের সদস্যদেরও দুর্নীতির দায়ে চাকরি গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৩
বিবিধ

যমের দুয়ারে কাঁটা সুরক্ষিত মাস্ক, স্যানিটাইজারে

করোনা ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় বিশ্ব। ততদিন সাবধানতার মার নেই। যার প্রভাব পড়ল ভাইফোঁটাতেও। বলা ভালো, করোনা আবহে প্রথম ভাইফোঁটায়। "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা…" বলে দিদি-বোনেরা ভাই-দাদাদের কপালে মঙ্গল ও দীর্ঘায়ু কামনায় ভাইফোঁটা তো দিলেন, সঙ্গে সুরক্ষিত রাখতে উপহারের তালিকায় যোগ করলেন মাস্ক আর স্যানিটাইজার। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইফোঁটা নিতে গিয়ে এবার এমন অভিজ্ঞতাই হলো। দিদির কাছ থেকে স্নেহাবেশ মাখানো এমন উপহার হাতে নিয়ে দুজনেই বললেন, প্রার্থনা করি আগামী বছর যেন সকলকেই আর এই উপহার নিতে না হয়। যেন করোনামুক্ত হয় বিশ্ব।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
বিবিধ

তারকেশ্বরে বিজয়া সম্মিলনীতে শান্তনু

হুগলি জেলায় তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী, সাংসদদের নিয়ে গড়া কোর কমিটির বিধানসভাভিত্তিক তিনটি জনসভা যেখানে কার্যত ফাঁকা মাঠে পথসভায় পরিণত হয়ে ডাহা ফ্লপ, সেখানে তারকেশ্বরে একটি বিজয়া সম্মিলনীতে দেখা গেল উপচে পড়া ভিড়। বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২০ তারকেশ্বরের উপ পৌরপিতা উত্তম কুণ্ডুর নেতৃত্বে তারকেশ্বর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছিল। তারকেশ্বর বিধানসভার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক ও এলাকার প্রবীণ নাগরিকদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বিশেষভাবে সক্ষম ভাইদের ট্রাইসাইকেল প্রদান-সহ নানা মানবিক কর্মসূচি নেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী, সাংসদদের উপস্থিতি ছাড়াই অনুষ্ঠানে এতো জনসমাগম নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি-ভাইরাসের ভ্যাকসিন কী? আরামবাগে জানালেন শান্তনু

ভ্যাকসিন না বের হওয়া অবধি করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সাবধানে থাকতে হবে। একইভাবে রাজ্য তথা দেশকে রক্ষায় বিজেপি-ভাইরাসকে উৎখাত করতে হবে, ২০২১-এ ইভিএমে প্রয়োগ করুন সেই ভ্যাকসিন। শনিবার ৩১ অক্টোবর আরামবাগে বিজেপি হঠানোর এমন দাওয়াই দিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। আরামবাগ তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে শহরের বাসস্ট্যান্ডের কাছে ইন্দিরা গান্ধীর প্রয়াণ দিবসে এদিন ৩৬তম রক্তদান শিবির ও প্রবীণ নাগরিকদের সংবর্ধিত করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রক্তদাতাদের উৎসাহ দিয়ে শান্তনু বলেন, বিজেপি মানুষে মানুষে বিভেদ লাগিয়ে দ্বন্দ্ব, হানাহানির রাজনীতি করে। তাদের হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আশীর্বাদ করুন। মনে রাখবেন, আপনারা ইভিএমে বিজেপির অ্যান্টি ভাইরাস প্রয়োগ করলে নারীরা সুরক্ষিত থাকবেন, কাউকে ধর্ষিতা হতে হবে না, বাবা-মায়ের সামনে কোনও কন্যাসন্তানকে হত্যা বা পোড়ানো হবে না। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, যুবশ্রীর মতো নানা সামাজিক প্রকল্প তো চলবেই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অনেক মানবিক প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলার মানুষের সুখে, শান্তিতে থাকার পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখবেন। তাই আগামী বিধানসভা ভোট বাংলার শান্তির পক্ষে ভোট। আপনাদের আশীর্বাদ নিয়ে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ‌্যায়ের নেতৃত্বে বাংলা তো বটেই, দেশ থেকে বিজেপিকে উৎখাত করা সম্ভব। আমাদের মা-বোনেরা যেমন সন্তান, পরিবারের মঙ্গল চেয়ে বছরের নানা সময় উপোস করেন, রোজা পালন করেন তাই সকলে ঠিক করুন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঙ্গলকামনায়, বাংলার মঙ্গলকামনায় ইভিএমে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে তবেই সেদিন জল পান করে উপবাস ভঙ্গ করবেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজনীতি

একুশের ভোটে মা-বোনেদের উপবাস করার ডাক দিলেন কেন শান্তনু?

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিষদাঁত ভেঙে একুশের ডাক তৃতীয় মা-মাটি-মানুষ সরকার প্রতিষ্ঠার। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যেমন মহান আল্লাহ্-র প্রতি সম্মান জানিয়ে সকলের মঙ্গল কামনায় এক মাস রোজা রাখেন, তেমনই হিন্দু মা-বোনেরা সন্তানের মঙ্গল কামনায় নানা ব্রত পালন করেন উপবাস করে। সকলের আশা একটাই, মঙ্গল কামনা করা। একুশের ভোট এবার বাংলার মঙ্গল কামনা করা। মমতাময়ী মা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে সকলকে আগলে রেখে ভালো কাজ চালিয়ে যেতে পারেন, অশুভ শক্তিকে পরাস্ত করে তা নিশ্চিত করতে হবে। সে কারণে সকাল সকাল ভোট দিয়ে তারপর সকলে তৃপ্তি করে জলখাবার খাবেন, ভোট দেওয়া অবধি সকলে উপোস রাখুন বাংলা তথা জননেত্রীর মঙ্গল কামনায়। মঙ্গলবার ২৯ অক্টোবর হুগলির খানাকুলে এ কথা বলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মজীবনে বেশ কিছু বছর এখানে কাটানো শান্তনুর কাছে খানাকুল এক অন্য আবেগের জায়গা। এখানকার মানুষের কাছেও শান্তনু যেন ঘরের ছেলে। মিছিল হোক বা সভা, হাতের তালুর মতো চেনা খানাকুলে এলেই একটা নস্ট্যালজিয়া কাজ করে। এখানকার মানুষও সেই ভালোবাসার টানে জনসভায় এসে ঠায় বসে সভা শুনলেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে। কাউকে সভার জন্য নিয়ে আসা হয়নি। বিশেষভাবে সক্ষম এক ব্যক্তি এসেছিলেন শান্তনুকে ফুলের তোড়া হাতে নিয়ে। তাঁকে মঞ্চে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিয়ে জড়িয়ে ধরলেন শান্তনু। ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও শান্তনুকে সংবর্ধনা প্রদান করলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি হওয়ার জন্য। খানাকুল ১ নম্বর ব্লকের এই প্রতিবাদ সভায় বিজেপি ছেড়ে অনেকেই জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব ও শান্তনুর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিলেন। শান্তনু বলেন, মসজিদ দেখলে যেমন বোঝা যায় এখানে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ থাকেন, মন্দির দেখলে যেমন হিন্দুদের উপস্থিতির কথা আমাদের সহজেই মনে আসে, ঠিক সেভাবেই দাঙ্গা হলে প্রথমেই মনে আসে বিজেপির কথা। কৃষি বিল আইনে রূপায়িত করায় কেন্দ্রকে বিঁধে শান্তনু বলেন, ইংরেজ আমলে নীল চাষিদের মতো অবস্থার কথা মনে করাচ্ছে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ। তাঁদের আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিয়ে হাত শক্ত করা হচ্ছে পুঁজিপতিদের। কৃষকদের দেখতে হবে তাঁদের উৎপাদিত পণ্য ৫ টাকায় কিনে মলে মোড়কে রেখে ১০০ টাকায় বিক্রি করা হবে। জিনিসপত্রের দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে কেউ জানে না। বিজেপির অপপ্রচার রুখতে পুজোর আগেই কৃষকদের সচেতন করতে শান্তনু বিশেষ উদ্যোগ নিতে চলেছেন।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০
রাজ্য

মানবিকে আনন্দাশ্রু পদ্মদিদির নয়নে

মানবিক করল সাধপূরণ, মানবিক-এই ঝরল আনন্দাশ্রু। পদ্মদিদির নয়নে। পদ্মরানি দাস, সকলের প্রিয় পদ্মদিদি। এক্ষেত্রে মানবিক কোনও সরকারি প্রকল্প নয়, বরং নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। ৪২ বছর ধরে বামবিরোধী আন্দোলন বা কর্মসূচিতে পদ্মদিদি নেই, এটা হয়নি হুগলির চুঁচুড়ায়। হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভার ১৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নির্মল দাসের স্ত্রী পদ্মরানি দাস। প্রথমে কংগ্রেস, পরে তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে ছুটে গিয়েছেন নানা সভায়, মিছিলে। অথচ পদ্মরানির খবর কেউ রাখেননি। না সাংসদ, না মন্ত্রী, না বিধায়ক, না জনপ্রতিনিধি। দলের একনিষ্ঠ কর্মী। মুখ ফুটে সরকারি সাহায্যের জন্য কারও কাছে বলেননি। কিন্তু জনপ্রতিনিধিরা? না, এতদিন কেউ কিচ্ছুটি করেননি। নির্মলবাবু বার্ধক্যের ভারে কাজ করতে অপারগ। একমাত্র সন্তানও বিশেষভাবে সক্ষম। ফলে ষাটোর্ধ্ব মলিন কাপড় পরিহিতা পদ্মদিদির সংসার যাতে চলে তার ব্যবস্থা করেন দলীয় কর্মীরা। কিন্তু পরিবারের মাথার উপর ছাদ নেই, ভগ্নপ্রায় বাড়ি। ফুটো ত্রিপলে কি বৃষ্টির জল আটকায়? তবু এতো প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও দলের কর্মসূচি মিস করেন না আদর্শে অবিচল পদ্মদিদি। দলের একনিষ্ঠ এই প্রবীণা কর্মীর এই কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন নজর এড়ায়নি তৎকালীন তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি দেবাশিস মুখোপাধ্যায়। তিনি বিষয়টি জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের তৎকালীন সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানান। শান্তনু সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেন দলের ওই প্রবীণা কর্মীর পাশে তৃণমূল যুব কংগ্রেস কর্মীরা থাকবেন। অসহায় পরিবারের জন্য আগে মাথার উপর ছাদ তৈরি করে দিতে হবে। এই বিষয়ে দেবাশিসবাবুকেই অগ্রণী ভূমিকা নিতে বলেন শান্তনু। নীরবেই সেই কাজ শুরু করে দেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস কর্মীরা। কেউ দিয়েছেন ইট, কেউ সিমেন্ট, কেউ টাকা। তা দিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বাড়ি, নামটিও ভারী সুন্দর মানবিক। দশকের পর দশক ধরে কুঁড়েঘরে দিনযাপনে অভ্যস্ত পদ্মদিদির পরিবার রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর প্রবেশ করল মানবিকে। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন মানবিক উদ্যোগে যুক্ত থেকে দলের প্রবীণ কর্মীকে সম্মান জানাতে পেরে যেমন তৃপ্তি পেয়েছেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস কর্মীরা, তেমনই আবেগাপ্লুত পদ্মদিদি বললেন, এমন উপকার কোনওদিন ভুলব না। আজকালকার রাজনীতিতে পদ্মরানি দাস দৃষ্টান্ত। তেমনভাবেই আজকালকার দিনে রাজনীতির সঙ্গে যুক্তদের দুর্নীতি-সহ নানা কারণে সাধারণ মানুষ যেমন বাঁকা চোখে দেখেন, সেখানে এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ আশা জাগায়। মানুষের পাশে নিঃস্বার্থভাবে থাকতে পারা দেবাশিসবাবুর মতো মানুষজনের এমন উদ্যোগ তাই রাজনৈতিক মহলের কাছেও একটা দৃষ্টান্ত হয়ে রইল। শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক-এর সামনে দাঁড়িয়েই বলছিলেন, মানুষের পাশে থাকার আদর্শ আমরা শিখেছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখেই। রং না দেখে মানুষের আপদ-বিপদ, সুখ-দুঃখের শরিক হতে আমাদের বারবার বলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জনসেবার সেই আদর্শকে পাথেয় করে যেভাবে দেবাশিস মুখোপাধ্যায় ও তৃণমূল যুব কংগ্রেস কর্মীরা এই পরিবারের পাশে রয়েছে তা শুধু প্রশংসনীয়ই নয়, খুব তৃপ্তির। দলের প্রবীণ কর্মীদের এভাবে সম্মান প্রদান সত্যিই আমাদের দলনেত্রীর নির্দেশকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করার দৃষ্টান্তস্বরূপ।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

মারণ রোগের বিরুদ্ধে ঋত্ত্বিকার লড়াইয়ে সহযোদ্ধা যুবযোদ্ধারা

রক্তদান জীবনদান। বহু পরিচিত এই কথাকে মাথায় রেখে ফুটফুটে শিশুর কঠিন জীবন সংগ্রামে তার সহযোদ্ধা হলো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার যুবশক্তি কর্মসূচিতে সামিল যুবযোদ্ধারা। ঋত্ত্বিকা দত্ত। বয়স ৯ বছর ৭ মাস। ফুটফুটে এই শিশুকে লড়াই চালাতে হচ্ছে মারণ রোগের সঙ্গে। কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা চলছে। ২৫০ ইউনিট রক্ত দরকার। প্রতি সপ্তাহে দরকার ২০ ইউনিট রক্ত। রক্ত জোগাড়ে হিমশিম খাচ্ছেন ঋত্ত্বিকার বাবা। পান্ডুয়া ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাধ্যমে এই খবর পৌঁছায় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কানে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি নির্দেশ দেন যুবযোদ্ধাদের মধ্যে থেকেই রক্তদাতা খুঁজে বের করতে। শুধু নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত হননি শান্তনু। বৃষ্টি মাথায় করেই সৌরভ ও ২৫ জন যুবযোদ্ধাকে নিয়ে শান্তনু বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর পৌঁছে যান কলকাতার ওই হাসপাতালে। কথা বলেন চিকিৎসকদের সঙ্গে। ছোট্ট ঋত্ত্বিকার হাতে উপহার তুলে দিয়ে মিঠুনবাবু ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। আশ্বাস দেন, রক্ত নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। ঋত্ত্বিকা যতদিন না সুস্থ হচ্ছে, চিকিৎসকরা যতদিন রক্ত দিতে বলবেন সেই দায়িত্ব আমরা নিলাম। শান্তনুর এই প্রশংসনীয় মানবিক উদ্যোগ যেন আরও একবার দেখিয়ে দিল অভিষেকের বাংলার যুবশক্তি কর্মসূচির সার্থকতা।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
বিবিধ

শান্তনুর হাত ধরে সিটু ছেড়ে যোগ তৃণমূলের ইউনিয়নে

মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার জাঙ্গিপাড়ায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ এমপ্লয়িজ অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের কর্মিসভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তাঁর হাত ধরেই সিটু ছেড়ে তৃণমূলের ইউনিয়নে যোগ দেন বহু কর্মী।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
বিবিধ

ইটভাটার শিশুদের পোলিও টিকা খাওয়ালেন শান্তনু

আজ রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর পোলিও টিকা খাওয়ানোর দিন। এদিন বলাগড়ের বিভিন্ন ইটভাটায় ঘুরে নিজে হাতে শিশুদের পোলিও টিকা খাওয়ালেন হুগলি জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। শিশুদের মধ্যে লজেন্স, চকোলেটও বিলি করলেন। সেইসঙ্গে শিশু ও তাদের অভিভাবকদের করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে সুরক্ষিত ও সতর্ক থাকতে হবে সে ব্যাপারগুলি সহজবোধ্যভাবে বুঝিয়েও দিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরাও।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal